বিপিএলের দ্বিতীয় দিনের প্রথম ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে ব্যাট করতে নেমে ৯৬ রানে গুটিয়ে গেছে সিলেট সানরাইজার্স।


এর আগে মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে সিলেটকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ভিক্টোরিয়ান্সের অধিনায়ক ইমরুল কায়েস। অধিনায়কের সিদ্ধান্তের যৌক্তিক ব্যবহার করে প্রথম থেকেই মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের দলকে চাপে রাখে মোস্তাফিজুর রহমানরা।

পাওয়ার প্লেতে রান তোলার বদলে নিয়মিত উইকেট বিলিয়ে দেন সিলেটের দুই ওপেনার এনামুল হক বিজয় ও কলিন ইনগ্রাম। ৯ বলে ৩ রান করা বিজয়কে সাজঘরে ফেরান নাহিদুল ইসলাম। ৩ বাউন্ডারি ও এক ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ২০ রান করা ইনগ্রামকে ফেরান শহিদুল ইসলাম। শেষ পর্যন্ত সানরাইজার্সের সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন এই প্রোটিয়া ব্যাটার।
দুজনের বিদায়ের পরে নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে সানরাইজার্স শিবির। মোহাম্মদ মিঠুন ৫ আর রবি বোপারা ১৭ রান করে মাঠ ছাড়েন। খাদের কিনারে পড়া দলকে উদ্ধার করতে পারেননি অধিনায়ক মোসাদ্দেক। ৬ বল মোকাবিলা করে তিনি তানভীর বলে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন। মাঝে মধ্যে ব্যাট প্যাড হাতে তুলে নেওয়া ব্যাটসম্যান অলক কাপালিও এদিন জ্বলে উঠতে পারেননি। টেস্ট মেজাজে ১৪ বল খেলে রান আউট হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৬ রান। ৬৫ রান তুলতেই তারা ৭ উইকেট হারিয়ে বসেন।

এরপর কেসরিক উইলিয়ামসকে নিয়ে অবশ্য দলের হাল ধরেন গাজী। তবে দুজনকে ২২ রানের বেশি জুটি গড়তে দেননি আফগান বোলার করিম জানাত। কেসরিক ১৩ বল মোকাবিলা করে ৯ রান করেন। দলের সংগ্রহ যখন ৯৪, তখন তুলে মারতে গিয়ে নিজের উইকেট বিলিয়ে দনে সোহাগ গাজী। মোস্তাফিজের শিকার হওয়ার আগে তিনি ১৯ বল মোকাবিলা করে ১২ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ৯৬ রানে সানরাইজার্সের ইনিংস।

ভিক্টোরিয়ান্সের বোলারদের মধ্যে ফিজ, নাহিদুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম দুটি করে উইকেট শিকার করেন।