করোনার উর্ধ্বমুখী সংক্রমণ সত্ত্বেও টিকা ও বিধিনিষেধ বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল বেলজিয়াম। পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।


করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের মধ্যেই টিকা ও বিধিনিষেধ বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল বেলজিয়ামর রাজধানী ব্রাসেলস। দেশটির ইউরোপীয় কমিশনার সদর দফতরের ভবনের কাছে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ জানান তারা। এক পর্যায়ে কমিশনার দফতরের ভবনে ব্যাপক ভাংচুর চালায় বিক্ষোভকারীরা। তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করতে জল কামান ও কাদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে পুলিশ। এ সময় দফায় দফায় সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী আহত হন।
 

গেল ২১ জানুয়ারি বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করলেও কোথাও যাওয়ার ক্ষেত্রে কোভিড পাস বাধ্যতামূলক করা ও বুস্টার ডোজের দিকে গুরুত্ব আরোপ করলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায় জনসাধারনের মাঝে। এ সময় তারা স্বাধীনতা হরণেরও অভিযোগ আনেন।

এক বিক্ষোভকারী জানান, আমি আমার পুরোনো জীবনে ফিরে যেতে চাই। আমরা কাজ করতে পারি কিন্তু পার্টি করতে পারি না। অন্যকাজগুলো করতে পারি না। আমরা কেবল সেই কাজগুলো করতে পারি যেগুলো যেগুলো সরকারকে অর্থ এনে দেয়।

আরেকজন বলেন, আমাকে পরীক্ষামূলক প্রাণী মনে হচ্ছে। তাই আমি আমার স্বাধীনতার জন্য লড়ছি।
অন্যদিকে কানাডার টরেন্টো শহরেও একই দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন কয়েক হাজার মানুষ। সংক্রমণ ঠেকাতে দেশটিতে রেস্তোঁরা, বার জীমসহ বিভিন্ন স্থানে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলে রাস্তায় নেমে এর বিরোধীতা করেন দেশটির সাধারণ মানুষ। অথচ করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের সংক্রমণের জেরে দেশটির হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে রোগীর চাপ।